শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
একটি দেওয়াল, একটি সিদ্বান্ত স্বপ্ন ভেঙে দিলো শতাধিক পরিবারের। শরণখোলায় ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন কার্ড ধারী জেলেরা। রাজশাহীতে ১০০০ পিচ ইয়াবা সহ যুবক গ্রেফতার আন্তর্জাতিক মে দিবসে মোরেলগঞ্জে শ্রমিক দলের উদ্যোগে বর্নাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা মিরপুর রিয়েল এস্টেট ফোরামের পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সকল সংসদ সদস্যকে অভিনন্দন। খাউলিয়া ইউনিয়ন উন্নয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সালে খান বেঁচে থাকার পথ, না নতুন ফাঁদ? জলবায়ু-প্রভাবিত অভিবাসনে ঢাকার বাস্তবতা নবনির্বাচিত রিহ্যাব পরিচালনা পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন – মোঃ জাকির হোসেন। ৷৷৷ বিষয় এনবিআর ।৷৷ রাবিতে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিলো ভিপি

একটি দেওয়াল, একটি সিদ্বান্ত স্বপ্ন ভেঙে দিলো শতাধিক পরিবারের।

আসাদুজ্জামান আসাদ

রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন শহরে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠান দেড় হাজারের অধিক,পরিকল্পিত নগরায়নে আবাসন সমস্যা দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
ঢাকার মিরপুরে ইস্টার্ন হাউজিং দ্বিতীয় পর্ব নামে একটি বেসরকারি হাউজিং প্রকল্প রয়েছে যেখানে ছয় হাজের অধিক প্লট রয়েছে। ১৯৮৪ সালে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হলেও নানা জটিলতায় নাগরিক সেবার মান বাড়াতে পারেনি প্রকল্প নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন হাউজিং লিঃ।
প্রকল্পের তিনদিকে রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জটিলতা
একদিকে বোটানিক্যাল গার্ডেন আরেক দিকে বিমান বাহিনীর রাডার অফিস অন্যদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সীমানা।বিমান বাহিনীর জটিলতা দীর্ঘদিন ভোগ করে এখন কিছুটা রহিত হলেও বেড়েছে সেনাবাহিনীর দেওয়া উচ্চতার সীমাবদ্ধতা।
এ কারনে স্বপ্ন ভেঙ্গেছে শতাধিক ক্ষুদ্র প্লটবাসীর।
ইস্টার্ন হাউজিং এন ব্লক এলাকায় সেনাবাহিনী কর্তৃক উচ্চতার জালে আটকিয়ে রাখা হয়েছে।
প্লট মালিকগন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর কাছে ভবন নির্মাণের জন্য নকসার অনুমোদন চাইলে জমির মালিকদের পড়তে হয় সেনাবাহিনীর কর্তৃক উচ্চতা ছাড়পত্রের জটিলতায়। কিন্তু সেখানে ও রয়েছে বৈষম্য একটি দেয়ালের এক পাশে হাই-রাইজ ভবন অন্য পাশের উচ্চতা মাত্র ৪০ ফুট।
কথা হয় অত্র এলাকায় নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান পাটোয়ারী কনস্ট্রাকশন এর স্বত্বাধিকারী জনাব বুলবুল পাটোয়ারীর সাথে তিনি বলেন আমরা দীর্ঘদিন বিমান বাহিনীর উচ্চতা ছাড়পত্র জটিলতা কাটিয়ে আবার সেনাবাহিনীর উচ্চতা ছাড়পত্রের জটিলতায় আটকিয়ে গেলাম।একটি জমিতে একাধিক মানুষের মালিকানা থাকায় ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে উচ্চতার জটিলতায় ভাগাভাগিতে মিলাতে পারছে না এই ক্ষুদ্র জমির মালিকগণ। যে কারণে অল্প আয়ের মানুষগুলো যে স্বপ্ন নিয়ে এক টুকরো জমি কিনে ছিলো এখন ওই জমি তাদের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে কারণ সেনাবাহিনীর দেওয়া উচ্চতা এতই কম যে ভবন নির্মাণ করে ফ্ল্যাট ভাগাভাগিতে মিলাতে পারছে না।
নাম না বলার শর্তে ভুক্তভোগী প্লট মালিক বলেন দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের ক্ষমতা নেই যে সেনাবাহিনীর কাছে গিয়ে এই বৈষম্যের প্রতিবাদ করবো। ভুক্তভোগী ভয়ের ছলে বলেন আবার কি বলবো আপনি কি লিখে দিবেন শেষমেশ আমার জমি টুকুও হারাতে হবে
ভয় আর বৈষম্য নিয়ে কি চলতে হবে N ব্লকের শতাধিক প্লট বাসী কে ?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *