শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
রাজশাহীকে নতুন করে সাজাতে চাই: রাসিক প্রশাসক সুন্দরবনে ‘আগে চাঁদা, পরে মধু’, দস্যুদের দাপটে বিপাকে মৌয়ালরা রাজধানীর মিরপুর-১ এর দারুসসালাম রোড এলাকায় নকশা লঙ্ঘন করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ চিফ অব ফ্লাইট সেফটি পদে বিতর্কিত নিয়োগ: ক্যাপ্টেন আহমেদ ইমরানকে ঘিরে অনিয়ম, হয়রানি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির গুরুতর অভিযোগ গোদাগাড়ীতে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার ক্ষয়ক্ষতি ১০ লক্ষাধিক টাকা চন্দনাইশের দোহাজারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪ দোকান পুড়ে ভষ্মিভূত আমরা স্বার্থপর, তবুও মানুষ হিসেবে আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি! রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান ব্যর্থ, থামেনি নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মাণ কাজ BNP Network” কেন্দ্র করে বিএনপির বিজিএন: তৃণমূল-কেন্দ্র সংযোগ জোরদার রাজশাহীবাসী আরও উন্নত নগর সেবা পাবে

রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান ব্যর্থ, থামেনি নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মাণ কাজ

 

রাজধানীর পশ্চিম কাফরুলে পুনরায় নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ

নার্গিস রুবি:

রাজধানীর পশ্চিম কাফরুলের বেগম রোকেয়া সরণীর শেওড়াপাড়া এলাকায় রাজউক কর্তৃক উচ্ছেদ ও জরিমানার পরও পুনরায় নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও বাস্তবে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি, যা নিয়ন্ত্রণে রাজউকের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, বাড়ি নম্বর ২১৮/৭, পশ্চিম কাফরুল এলাকায় জমির মালিক আব্দুল আলিম ও শরিফা ফারুক গং-এর মালিকানাধীন একটি ১০ তলা ভবন, যার ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান নিপ্পন হাউজিং লিমিটেড। ভবনটির জন্য রাজউকের অনুমোদিত নকশার স্মারক নম্বর ২৫.৩৯.০০০০.০৯৮.৩০.৪১৫.২০।

অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদিত নকশা অমান্য করে ভবনটির চারপাশে ব্যাপক ডেভিয়েশন (নকশা বিচ্যুতি) করা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ১২ মে ২০২৫ তারিখে রাজউক অভিযান চালিয়ে ভবনের অবৈধ অংশ উচ্ছেদ করে এবং প্রায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগের মিটারও বিচ্ছিন্ন করা হয়।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টরা আদালতে রিট করে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে নেয় এবং অবৈধ অংশ অপসারণ না করেই আবার আগের মতো নির্মাণকাজ শুরু করে।

এ বিষয়ে রাজউকের জোন ৩/২ এর অথরাইজড অফিসার মাসুদ আহমেদ ও ইমারত পরিদর্শক মোহন জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

অন্যদিকে ডেভেলপার বা মালিকপক্ষের বক্তব্যে ভিন্ন সুর পাওয়া গেছে। তারা দাবি করেন, “রাজউক আমাদের ভবনে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে, কিছু অনিয়ম হয়েছে, এটা আমরা রাজউকের সাথেই সমাধান করবো।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরও যদি একই ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকে, তাহলে তা আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করে। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবন নির্মাণ আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালিত হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বারবার উচ্ছেদ ও জরিমানা সত্ত্বেও একই স্থানে পুনরায় নকশা লঙ্ঘন করে নির্মাণ চলতে থাকা প্রমাণ করে কেবল অভিযান নয়, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর আইনি প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *