বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকিটের নামে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় শরণখোলা বিএনপি হারিয়েছে একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও মহান স্বাধীনতা হারিয়েছে একজন বীরযোদ্ধা। চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৪ আসামি গ্রেফতার। চন্দনাইশ থানার ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি। বাগেরহাট জেলার দুই রত্ন এক ফ্রেমে মাধ্যমিক কর্মচারীদের ত্রাণ বিতরণ চন্দনাইশে বন্যার্ত ৫‘শ পরিবার পেল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ত্রাণ। অবশেষে বিতর্কিত চন্দনাইশ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি থানচিতে জমা দিয়েছে ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৪০ রাউন্ড তাজা গুলি সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীরপ্রধানসহ ২৭ দস্যুর আত্মসমর্পণ চন্দনাইশে বন্যায় মৎস্য চাষি আবদুল হামিদের ৭০ লক্ষ টাকার ক্ষতি।

গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকিটের নামে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

মো: শফিকুল ইসলাম

গোয়ালন্দ(রাজবাড়ী)

প্রতিদিন সরকারি নির্ধারিত ৩ টাকার টিকিটের পরিবর্তে ৫ টাকা আদায় করা হচ্ছে — এমন অভিযোগ উঠেছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে। রোগীরা ভাঙতি না পাওয়ার কারণ দেখিয়ে বেশি টাকা নেওয়া হলেও ফেরত দেওয়া হয় না। কেউ জোড়াজুড়ি করলে মাত্র ৫ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। দিন শেষে এই অনিয়মের মাধ্যমে আদায় হয় দেড় থেকে ২ হাজার টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৭৫০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। এসব রোগীকে টিকিট দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন কাউন্টার ইনচার্জ মো. আলতাফ হোসেন। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন শিলা রানী। তবে সরেজমিনে উপস্থিত সাংবাদিককে দেখে আলতাফ হোসেন দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

শুধু টিকিটের অনিয়ম নয়, এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এসব অনিয়মকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে গঠিত এই সিন্ডিকেটের অনুমতি ছাড়া প্রতিষ্ঠানে কোনো কাজ হয় না। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাও তাদের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। স্থানীয়রা দ্রুত এই অনিয়মের তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *