সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

ধোপাছড়ির মানুষের দুঃখ দূর করবে কাঠের সেতুটি ৬ মাস পর ৬ লাখ টাকায় সংস্কার

 

এস.এম.জাকির,
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:

পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়া ধোপাছড়ি ইউনিয়নের ধোপাছড়ি খালের কাঠের সেতুটি অবশেষে সংস্কার করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ছয় লাখ টাকা। এই সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ধোপাছড়ির দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে।

গত শুক্রবার সেতুর সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হোসেন।

চলতি বছরের মে মাসে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে নদীতে ভেসে যায়। ছয় মাস পর সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

২০২৩ সালের অক্টোবরে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০০ মিটার দীর্ঘ ও সাত ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকেই এটি স্থানীয়দের কাছে ‘ধোপাছড়ির পদ্মা সেতু’ হিসেবে পরিচিতি পায়। তবে গত এক বছরে দুই দফা পাহাড়ি ঢলে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড় ও শঙ্খ নদী সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা হলেও যোগাযোগ সমস্যার কারণে পিছিয়ে রয়েছে। ধোপাছড়ি খালটি ইউনিয়নটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে, আর স্থায়ী সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো। পরে কাঠের সেতু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আগেরবার কাঠের সেতু নির্মাণ ও সংস্কারের নামে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বন থেকে অবাধে গাছ কেটে লাভবান হয়েছিলেন। এবার যেন সেই ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন বলেন, ‘ধোপাছড়ির মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এই কাঠের সেতু। পাহাড়ি ঢলে সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন। তাই এটি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, দুই মাসের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেতু সংস্কারের নামে আগের মতো যেন অতিরিক্ত গাছ কাটা না হয়, সে জন্য স্থানীয় বনবিট কর্মকর্তাকে তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *