মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি বৃক্ষরোপন ২০২৬ ইং আমাদের প্রত্যয়, শিশুশ্রম আর নয়’! শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক: রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ মানবিক সাহায্যের আবেদন জানালেন পরিবার চন্দনাইশের এয়াকুব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পড়ে আছে ঘরে চন্দনাইশে একটি সেতুর দাবি বরমা ও মধ্যম চরতিবাসীর। ১৮৮০ সাল থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধে চলছে কার্যক্রম চন্দনাইশে প্রতিকূলতা ঠেলে এগিয়ে চলেছে জোয়ারা পাগলা গারদ। চন্দনাইশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরষ্কার বিতরণ। চন্দনাইশে ২ শ্রমিক পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেল। চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া-বরকল-বৈলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন। চন্দনাইশ থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

ধোপাছড়ির মানুষের দুঃখ দূর করবে কাঠের সেতুটি ৬ মাস পর ৬ লাখ টাকায় সংস্কার

 

এস.এম.জাকির,
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:

পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়া ধোপাছড়ি ইউনিয়নের ধোপাছড়ি খালের কাঠের সেতুটি অবশেষে সংস্কার করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ছয় লাখ টাকা। এই সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ধোপাছড়ির দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে।

গত শুক্রবার সেতুর সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হোসেন।

চলতি বছরের মে মাসে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে নদীতে ভেসে যায়। ছয় মাস পর সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় খুশি স্থানীয়রা।

২০২৩ সালের অক্টোবরে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০০ মিটার দীর্ঘ ও সাত ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকেই এটি স্থানীয়দের কাছে ‘ধোপাছড়ির পদ্মা সেতু’ হিসেবে পরিচিতি পায়। তবে গত এক বছরে দুই দফা পাহাড়ি ঢলে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড় ও শঙ্খ নদী সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা হলেও যোগাযোগ সমস্যার কারণে পিছিয়ে রয়েছে। ধোপাছড়ি খালটি ইউনিয়নটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে, আর স্থায়ী সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো। পরে কাঠের সেতু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আগেরবার কাঠের সেতু নির্মাণ ও সংস্কারের নামে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বন থেকে অবাধে গাছ কেটে লাভবান হয়েছিলেন। এবার যেন সেই ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন বলেন, ‘ধোপাছড়ির মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এই কাঠের সেতু। পাহাড়ি ঢলে সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন। তাই এটি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, দুই মাসের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেতু সংস্কারের নামে আগের মতো যেন অতিরিক্ত গাছ কাটা না হয়, সে জন্য স্থানীয় বনবিট কর্মকর্তাকে তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *