শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
মোঃ শাহীন হাওলাদার
বাগেরহাটের শরণখোলায় জমি দখলের অভিযোগ তুলে উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী সদস্য,৩ নং রায়েন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৭ বারের ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন এক মৎস্য ব্যবসায়ি। তার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মোঃ শাহজাহান বাদল জোমাদ্দার ও তার সহযোগীরা। জমি দখলের ঘটনাটি মিথ্যা,বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর দাবী করে শনিবার (২৯ জুন) সকাল ১১ টায় শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তথা কথিত মৎস্য ব্যবসায়ী আঃ রহিম একজন দখলবাজ, প্রতারক, ঠকবাজ ও সন্ত্রাস প্রকৃতির লোক। সামাজিক ভাবে আমাকে এবং আমার সহযোগীদের হেয়-প্রতিপন্ন করতে। গত ২৫ জুন বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করে,আমাদের সামাজিক ভাবে মান সম্মান ক্ষুন্নের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। জমি দখলের ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা,অনলাইন ও আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।মোঃ শাহজাহান বাদল দাবী করেন ২নং খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ৬ নং আমড়াগাছিয়া মৌজার এসএ ১২৯৭ খতিয়ানে আমি ও আমার সহযোগী মোঃ জামাল বয়াতি,জিয়াউদ্দীন ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খোন্তাকাটা ইউনিয়নের একই এলাকার আজিজ কাজী, মোঃ সরোয়ার হোসেন এবং মরহুম হরমুজ হাওলাদারের ওয়ারেশ মোঃ আবুল হোসেন,কামাল হোসেন,আজমল হোসেন, মোসাঃ মনোয়ারা বেগম, আনোয়ারা বেগম ও মুন্নির নিকট হতে ২০২৩ সালে ০.৪০৮২ শতক জমি কবলা মূলে যৌথ ভাবে রেজিঃ করি এবং যৌথ ভাবে খরিদ পূর্বক নামজারি মূলে গৃহ নির্মাণে সরকারের কর-খাজনাদি পরিশোধ সাপেক্ষে র্নির্বিবাদে ভোগ দখল করে আসছি। তিনি আরও জানান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলনের কাছ থেকে যে জমি আঃ রহিম ক্রয় করেছে দাবি করেন। বর্নিত সেই জমির দাগ,খতিয়ান, চৌহুদ্দির সাথে আমাদের জমির দাগ,খতিয়ান ও চৌহুদ্দির কোনো মিল নাই। অথচ প্রতারক আঃ রহিম হাং আমাদের জমি দখল করার উদ্দেশ্যে আমাকে ও আমার সহযোগীদের খুন জখম করার হুমকী দেয়। এর আগে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আজমল হোসেন মুক্তা,২ নং খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন,সাবেক শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকরাম হোসেন এর মধ্যস্থতায় শালিশ বৈঠকের চেষ্টা করলেও আব্দুর রহিম হাওলাদারের অনিহা ও দাম্ভিকতার কাছে ব্যর্থ হই। আমি এ ঘটনায় সুষ্ঠু সমাধান সহ প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করি।এ ব্যাপারে মৎস্য ব্যবসায়ী আঃ রহিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একই ওয়ারিশের জমি ২০১৩ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান মিলন ক্রয় করেন। তার কাছ থেকে আমি ২০১৯ সালে দুটি বসতঘরসহ জমি কবলা মূলে ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু তারা ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে আমার জমি দখল করেছে।সেই জমি উদ্ধার করার জন্য আমি ইতিমধ্যে প্রশাসন সহ সাংবাদিক ভাইদের শরণাপন্ন হয়েছি।আমার জমির চৌহুদ্দি ও তাদের জমির চৌহুদ্দি সম্পুর্ন আলাদা।