রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
রাবিতে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিলো ভিপি রাজধানীর মিরপুর-১১ তে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৬ তলা ভবন নির্মাণ, রাজউকের রহস্যজনক নিরবতা ….. ……….  একটি শোক সংবাদঃ.,..,………….  জেলা ছাত্রদলের নেতা শাহরিয়ার নিয়াজের উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা সেবা রাজশাহীতে ব্ল্যাক মেইল করে বিয়ে দোহাজারী নাগরিক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে জসিম উদ্দীন আহমেদ এমপি আব্দুল আজিজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চকরিয়ার জীবন বলি চ্যাম্পিয়ন চন্দনাইশ বরকলে শতবর্ষের বিশ্ব পুকুরের বলি খেলায় কানায় কানায় পরিপূর্ণ মাঠ নারী সাংবাদিককে হেনস্তার আলোচিত ঘটনায় রাজউকের ইমারত পরিদর্শক গ্রেপ্তার। দোহাজারীতে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সড়ক বেদখল হতে হতে আইলে রুপান্তরিত, পুনরুদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড ঝন্টু বিকাশ চাকমা

আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক দল থেকে একটা ডাকাত দলে পরিণতি হয়েছে। -মান্না

আল হাসান মোবারক, নিজস্ব প্রতিনিধি:

অবৈধ নির্বাচন ভোট বর্জন করুন— দেশবাসীকে এই আহ্বান জানিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ, মিছিল এবং নির্বাচন কমিশনকে লাল কার্ড প্রদর্শনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। ৩০ ডিসেম্বর শনিবার সকালে ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে এবং সমাবেশ শেষে গণতন্ত্র মঞ্চে মিছিল করে। এবং লাল কার্ড প্রদর্শন করে নির্বাচন কমিশন কে। হাবিবুর রহমান রিজুর সভা সঞ্চালনায়, সদস্য সচিব, ভাসানী অনুসারী পরিষদ। এবং সভাপতিত্ব করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাগরিকের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন আজ ৩০ ডিসেম্বর পাঁচ বছর আগে গণতন্ত্রের ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করা হয়েছিল তারই ধারাবাহিক আগামী
৭ জানুয়ারী নির্বাচন হয়ে যাবে কি না এমন প্রশ্ন করে তাদেরকে বলি ৭ তারিখ তো কোন নির্বাচনীই নয় যে নির্বাচন হবে।যে নির্বাচনে বিরোধী দল নির্ধারণ করতে হয় প্রধানমন্ত্রী আগে তারা মনে করত নৌকা হলেই জেতা যাবে এখন আর আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা, ঈগল ও আরো কয়েকটি রয়েছে, যে ভোট নয় সেটা নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই, এই নির্বাচনে কেউ কি ভোট দিতে যাবে, না। গ্রামের একটি চায়ের দোকানেও জিজ্ঞেস করলে তাঁর বলেন কই কোন ভোট আমরা তো কোন নির্বাচন দেখিনা।

১৪ আসলে বিনা ভোটে ১৮ সালে দিনের ভোট রাতে ফলাফল ঘোষণা করেছে এবার কি করছে তারা খোঁজ নিয়ে দেখেন সরকারি অফিস গুলোতে কাকে কত ভোট দিবেন তার হিসাব কষছেন।
আওয়ামী লীগ একটি যে গণতান্ত্রিক দল ছিল, আজ একটা ডাকাত দলে পরিণতি হয়েছে। ১৪ সালের নির্বাচন সবাই বলে ফোর টুয়েন্টির নির্বাচন হয়েছে, প্রধান মন্ত্রী বলে ছিলেন এটি আমাকে নিয়ম রক্ষার নির্বাচন করতে হচ্ছে। অতিসত্বর একটি নির্বাচন দিবো দেশের মানুষ বিশ্বাস করে নাই, বিদেশীরা কেউ কেউ মনে কারে ছিলেন প্রধান মন্ত্রী যখন বলেছে তাহলে হতেও পারে, প্রধান মন্ত্রী যে নিজেই ফোর টুয়েন্টি গিরি করতে পরে এটা তাদের ধারনা ছিলনা। পাঁচা বছর পর ভোট আর হলো না আবার পাঁচ বছর পর যেটা হলো এটা একটা ডাকাতি।

আজকে পত্রিকায় বেড়েছে একজন মন্ত্রীর ৩৭৫ টি প্লেট রয়েছে একজন মানুষের কতটি ফ্ল্যাট এই ফ্ল্যাট গুলোর অধিকাংশই ইউরোপ আমেরিকায় কিন্তু নির্বাচনী হলফনামায় তা উল্লেখ করেনি।
প্রধানমন্ত্রী বলছে বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল তারা আগুন সন্ত্রাস করে, মানুষ পুড়িয়ে মারে কিন্তু নির্বাচন কমিশন আপনার সাধারন সম্পদক কাদের সাহেব তারা বলছে যদি বিএনপি নির্বাচনে আসে তাহলে নির্বাচনের সিডিউল পরিবর্তন করতে পারি। তাহলে বিএনপিকে নির্বাচনে লাগে। যখন বিএনপিকে নির্বাচন তখন সারা বিশ্ব বলছে আমরা এরকম নির্বাচন মানতে পারেনা। তখন তারা চিন্তায় পড়েছে।
আজকে আওয়ামিলীগ সারা দেশ যত প্রকার সামাজিক সুরক্ষা কার্ড আছে তা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখিয়ে নিয়ে এসেছে এবং বলেছে ৭ তারিখ ভোট দিলে কার্ড দিবে এই আওয়ামিলীগ মানুষের কার্ড চোর।
বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ সাড়ে ১০ কোটি ভোটার ইতিমধ্যে আওয়ামিলীগ কে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে।

আরো বক্তব্য রাখেন গণসংহতির আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক জনাব জুনায়েদ সাকি তিনি বলেন আজকে শেখ হাসিনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখন আর আওয়ামী লীগের সভাপতি নন তিনি তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীণ সমস্যা গুলো উনাকে সমাধান করে দিতে হয়, তাই উনি আর এখন আওয়ামী লীগ সভাপতি নন আজকে শেখ হাসিনা তাদের জাতীয় পার্টির সভানেত্রী। নেতৃণমূল-বিএনপির, বিএনএম তাদের সমর্থিতদের মত বিএনপি, গণতন্ত্র মঞ্চ, সমমনা সহ ৬৩ দলকে এই নির্বাচন যার বর্জন করেছে। শেখ হাসিনার আওয়ামিলীগ সমর্থিত প্রার্থী বানাতে চেয়ে ছিলেন। নৌকা প্রতীক দিয়ে অথবা তাদের প্রতীক দিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত জাতীয় পার্টি সমর্থিত মত।যারা এই অবৈধ নির্বাচন বর্জন করেছে, শেখ হাসিনার একই ভাবে সমস্ত দলগুলোর সভাপতি হতে চাচ্ছেন, উনার এই আশা কখনো পূরণ হবে না, বরং আজকে এই যে দেখুন জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকে লাল কার্ড দেখাচ্ছি। আগামী ৭ তারিখের নির্বাচন যদি বন্ধ না করে তাহলে জনগণএই সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিবে।

তিনি আরো বলেন সরকার নাশকতা তৈরি করে বিরোধী দলের উপর চাপাচ্ছে এবং ক্রেকডাউন করে তারা সবাইকে গ্রেফতার করে জেলে হাজতে ভরে উনি নির্বাচনের খেলা খেলছেন। আজকে আমরা বলছি, সরকার প্রযোজনায় নাশকতা করে তারা রেলে আগুন দিয়ে মা শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা করে, বিরোধী দলকে দমন করতে চাইছে এর মুখোশ আমরা উন্মোচন করার জন্য আমরা বলছি,আমারা আমাদের আন্দোলন অহিংস আন্দোলন।জনগণের উপর ভিত্তি করেই আমরা বলছি ৭ তারিখের আপনারা যাবেন না। তিনি আরো বলেন বাংলাদেশের কোন দেশ প্রেমিক মানুষ ৭ তারিখের নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে না। এই আওয়াজ বাংলাদেশের কোনায় কোনায় চলে গেছে তাই সরকার ভীত সন্ত্রস্ত।

আর সেই কারণেই তারা সকল নাগরিককে বিরোধী দল কে কর্মী সমর্থক কে হুমকি, ধামকি ও জোর করে ভোট কেন্দ্রে নিতে চায়, তাদের এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।তিনি বলেন আপনি আপনার নাগরিক মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভোট কেন্দ্রে না গিয়ে তাদের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিন।জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রহমান বলেন আমাদের দেশে এখন ডামি নির্বাচন এবং এ নির্বাচনে ২০০০ কোটি টাকা খরচ করে জনগণের সাথে তামাশা করছে , আজকে তাদের নেত্রী নাকি, আল্লাহ ছাড়া কাউকে তিনি ভয় পান না, আমি তো দেখি তিনি জনগণকে ভয় পায়।

জনগণকে ভয় পায় বলেই তিনি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ অবাধ অংশ গ্রহণ মূলক নির্বাচন দিলেন না, নির্বাচন দিয়ে তিনি কি অর্জন করবেন তিনি অর্জন করবেন গণতান্ত্রিক ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করবেন । তিনি ভেবেছে ১৪ এবং ১৮ সালের মত নির্বাচন করে পার পেয়ে যাবেন ঘটনা বোধহয় এবার এটা নয়।আজ জাতির যে ভোগান্তি হবে তার ভাগীদার কি উনি হবেন, আজকে ৮৫ টাকা করে আলুর মূল্যে, চালে মূল্য থেকে আলোর মূল্য বেশি এখন,আর তিনি জনগণের ২০০০ কোটি টাকা দিয়ে নিছক আমাশার নির্বাচন করছেন।সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, প্রমূখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *