সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
রাজশাহীতে ব্ল্যাক মেইল করে বিয়ে দোহাজারী নাগরিক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে জসিম উদ্দীন আহমেদ এমপি আব্দুল আজিজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চকরিয়ার জীবন বলি চ্যাম্পিয়ন চন্দনাইশ বরকলে শতবর্ষের বিশ্ব পুকুরের বলি খেলায় কানায় কানায় পরিপূর্ণ মাঠ নারী সাংবাদিককে হেনস্তার আলোচিত ঘটনায় রাজউকের ইমারত পরিদর্শক গ্রেপ্তার। রাজধানীর ইস্টার্ণ হাউজিং ২য় পর্বে উচ্ছেদ অভিযানে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ: কিছু ভবনে ব্যবস্থা, কিছুতে রহস্যজনক নীরবতা দোহাজারীতে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সড়ক বেদখল হতে হতে আইলে রুপান্তরিত, পুনরুদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড ঝন্টু বিকাশ চাকমা রাজশাহীকে নতুন করে সাজাতে চাই: রাসিক প্রশাসক সুন্দরবনে ‘আগে চাঁদা, পরে মধু’, দস্যুদের দাপটে বিপাকে মৌয়ালরা রাজধানীর মিরপুর-১ এর দারুসসালাম রোড এলাকায় নকশা লঙ্ঘন করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ

রাজশাহীতে ব্ল্যাক মেইল করে বিয়ে

 

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীতে ব্ল্যাকমেইল করে বয়সে ১৯ বছরের বড় এক নারীর সঙ্গে বিয়েতে বাধ্য করা, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং তালাক দেওয়ার জেরে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন মো. মাহফুজ আহমেদ রিফাত নামে এক যুবক। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পরিবারকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি।সংবাদ বিশ্লেষণ

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে নগরীর ভুবনমোহন পার্কে সিটি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন রিফাত।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর বড় বটতলা এলাকার বাসিন্দা বাদশাহ জাদী রেমীর মেয়েকে প্রাইভেট পড়ানোর সূত্রে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই পরিচয়ের জেরে রেমী গোপনে কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি সংগ্রহ করে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করেন বলে অভিযোগ করেন রিফাত।

 

রিফাতের দাবি, অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি না হওয়ায় রেমী তাঁর বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এতে সামাজিক সম্মান ও পুলিশের হয়রানি এড়াতে তিনি বাধ্য হয়ে নিজের চেয়ে ১৯ বছরের বড় ওই নারীকে বিয়ে করেন। এ ঘটনার কারণে তিনি পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

বিয়ের পর রিফাতের অভিযোগ, স্ত্রী তাঁকে নানাভাবে নির্যাতন করেন এবং অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এতে বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দেওয়া হতো। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি আইনগতভাবে তালাক দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তালাকের নোটিশ পাওয়ার পর প্রতিশোধ হিসেবে ৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়, যেখানে মেয়ের শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও মামলায় উল্লেখিত ঘটনার তারিখ ছিল ১২ জানুয়ারি। এ মামলায় তিনি প্রায় ২২ দিন কারাভোগের পর গত ৬ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান।

সংবাদ সম্মেলনে রিফাত বলেন, জামিনে মুক্তির পরও অভিযুক্ত নারী ও তাঁর সহযোগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের ছবি ব্যবহার করে মানহানিকর প্রচার চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বোয়ালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।

এ সময় রিফাতের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *