সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
খুবি প্রতিনিধি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়নিষ্ঠতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট-ভিত্তিক ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি। বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এ পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
নতুন এ পদ্ধতির মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টার মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে উপস্থিতি এবং অফিস শেষে আঙুলের ছাপে প্রস্থান নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে সিস্টেমে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন,“অফিস সময় যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর প্রভাব শুধু উপস্থিতি নয়, সার্বিক প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মাস শেষে প্রত্যেকের হাজিরার হিসাব প্রিন্ট দেওয়া হবে, যেখানে নিয়মিত ও অনিয়মিত কর্মীদের আলাদা চিত্র দেখা যাবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান সময়নিষ্ঠতা ও জবাবদিহিতার দিকটি তুলে ধরে বলেন, “উন্নত দেশগুলোতে অনেক আগেই এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হয়েছে। আমরা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়ার পথে এগোচ্ছি। আশা করি সবাই এ নিয়ম মেনে চলবেন।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী সাইফুল ইসলাম, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. শেখ আলমগীর হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ হাসানুজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু সালেহ মোঃ পারভেজ, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিজানুর রহমান খান, লিগ্যাল সেলের পরিচালক এস এম শাকিল রহমান এবং অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আবদুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এস্টেট শাখার প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সূত্র মতে, দীর্ঘদিন ধরে কাগজে স্বাক্ষর প্রদান পদ্ধতিতে উপস্থিতি রেকর্ড করা হলেও সময়নিষ্ঠতা নিশ্চিত করা যাচ্ছিল না। এই সমস্যা দূর করতেই ডিজিটাল হাজিরা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে এটি প্রশাসনিক ভবনে চালু হলেও, ভবিষ্যতে একাডেমিক ভবনসহ সব অফিসেও এই পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি-নির্ভর এই ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মো: নাঈম শেখ
খুবি প্রতিনিধি
মোবাইল: ০১৮৮৯৩৬৩১৬৯