শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
মোড়েলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় সাবেক আহ্বায়ক আবু সালেহ খান বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন – শহিদুল ইসলাম সোহাগ ক্যাম্প ন্যু-তে মহাকাব্যিক সমীকরণ: চিরশত্রুকে হারিয়েই কি শিরোপার রাজতিলক পরবে বার্সেলোনা? মা- এক অক্ষরের অনন্ত আশ্রয় একটি দেওয়াল, একটি সিদ্বান্ত স্বপ্ন ভেঙে দিলো শতাধিক পরিবারের। শরণখোলায় ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন কার্ড ধারী জেলেরা। রাজশাহীতে ১০০০ পিচ ইয়াবা সহ যুবক গ্রেফতার আন্তর্জাতিক মে দিবসে মোরেলগঞ্জে শ্রমিক দলের উদ্যোগে বর্নাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা মিরপুর রিয়েল এস্টেট ফোরামের পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সকল সংসদ সদস্যকে অভিনন্দন।

লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় ডিএসটিই এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

 

মোঃ আব্দুস সালাম খাঁন।

লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (ডিএসটিই) কাজী ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পুরাতন ও অভিজ্ঞ ৪ জন টিএলআরকে বাদ দিয়ে নতুন ৪ জনকে ৮ লক্ষ টাকার বিনিময় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ করেছেন বাদ পড়া পুরাতন টিএলআররা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় টেলিযোগাযোগ দপ্তরে টিএলআর পদে ২১জন দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে নিয়মিত কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু ওইসব টিএলআরদের চলতি বছর থেকে রেলওয়ের আউটসোর্সিংয়ের আওতায় আনতে পুরাতন ও অভিজ্ঞ টিএলআরদের আগ্রাধিকার দেয়া হয়। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (ডিএসটিই) কাজী ফিরোজ আহমেদ পুরাতন ও অভিজ্ঞ ২১জন টিএলআরদের মধ্যে সাব-টি ম্যান শরিফুল ইসলাম, সাব-খালাসী জয়ন্ত কুমার দাস, সাব-খালাসী শহিদুল আলম ও সাব-খালাসী সুমন আলী চাকরিচ্যুত করেন। অথচ তারা ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত টিএলআর পদে কর্মরত ৪ জনেই নিয়মিত ডিউটি করছেন। এখন আউটসোর্সিং চালু হবে যোগদানও চলছে। কিন্তু ওই ৪ জন পুরাতন টিএলআর নাম নেই। ফলে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

চাকরিচ্যুত টিএলআররা জানান, পুরাতন ওই ৪ জনের পরির্বতে লালমনিরহাটের বিভাগীয় প্রকৌশলী কাজী ফিরোজ আহমেদ তার বিনিময় জনপ্রতি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ৪ জনকে ৮ লক্ষ টাকার বিনিময় অভিজ্ঞতার ছাড়পত্র দিয়েছেন কাউনিয়ার শাকিল আহমেদ, জয়পুরহাটের রনক জাহান আখি, দিনাজপুরের আব্দুর রহমান সহ আরও একজনকে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ দিয়েছেন। তারা কাজের যোগদানেরও আবেদন করেছেন।অথচ এরা কোনদিন রেল বিভাগে কাজ করেনি। তার বড় প্রমাণ, বিগত দিনের হাজিরা খাতা ও বেতন সীট দেখলে বুঝা যাবে যে, কাজী ফিরোজ আহমেদ একজন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী।

বাদ পড়া টিএলআর শরিফুল ইসলাম ও সুমন আলী বলেন, আমাদের ৪ জনকে হঠাৎ করে জানানো হয় চাকুরী নেই। কি কারণে আমাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তা চিঠি দিয়ে আমাদের জানানো হয়নি। আমাদের ৪ জনকে বাদ দিয়ে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময় আউটসোর্সিংয়ের চাকরি দেয়া হয়েছে নতুন লোকদের। আমরা ৪/৫ ধরে টিএলআর পদে চাকরি করার পরেও ৮ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময় চাকরি থেকে বাদ দেওয়ায় আমরা হতাশায় পড়েছি। বর্তমানে স্ত্রী, সন্তান পরিবার নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী (ডিএসটিই) কাজী ফিরোজ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আউটসোর্সিং বিষয়ে কোনো কথা বলবেন না বলে এ প্রতিবেদকেক জানান।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *