শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
মোঃ শাহীন হাওলাদার
“নিজ নিজ পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন,ডেঙ্গু মুক্ত থাকুন”এই প্রতিপাদ্যে সামনে রেখে শরণখোলা উপজেলায় (সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর) ব্রাক জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের উদ্যোগে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি ব্যতিক্রম জনগুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিলো ডেঙ্গুর ভয়াবহতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং তাদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যক্তি পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করা, সেই সাথে ডেঙ্গু মশার প্রজনন স্থান চিহ্নিত করন ও ধ্বংস করা।কর্মসূচির প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান। শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ডেঙ্গু জ্বর ও এর প্রভাব নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। উক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো হয় কীভাবে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা জন্মায় এবং এর থেকে বাঁচতে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এছাড়াও স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে সচেতনতামূলক ডেঙ্গুর লক্ষণ ও প্রতিরোধ পদ্ধতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে।প্রথম দফায় এ কার্যক্রমে অংশ নেয় ব্র্যাক এবং সহযোগিতায় ছিল বিডি ক্লিনের সদস্যরা।অভিযানে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশের সড়কে জমে থাকা পানি,ড্রেনে জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়। এতে স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের উদ্যোগে এলাকাবাসী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার প্রিয় গোপাল বিশ্বাস বলেন,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে শুধু পরিবেশ সুন্দর হয় না, বরং ডেঙ্গু ওচিকুনগুনিয়ার মতো ভয়াবহ রোগ থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। বিশেষ করে জমে থাকা পানিই এসব রোগের প্রধান উৎস,তাই সতর্ক থাকা জরুরি। ব্র্যাকের যক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার স্মৃতি কণা রায়
বলেন,ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। ব্র্যাক সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সচেতনতা তৈরির কাজ করছে।সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, পরিবেশ দূষণ কমানো, অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও নর্দমা-খাল পরিষ্কার রাখা না হলে এ ধরনের উদ্যোগ টেকসই হবে না। তাই সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের সকলের সহযোগিতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম সফল করতে।