বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে সকল সময়ে সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা দান পাওয়া গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাগলা মসজিদ (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে সকল সব রেকর্ড ভঙ্গ করে এবার ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা দান পাওয়া গেছে। প্রায় ২৫০ জন মানুষ গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দিবাগত রাত দেড়টা পর্যন্ত টানা ১৮ ঘণ্টা গণনা পর এই পরিমাণ টাকা দান বক্সে পাওয়া যায়। টাকা ছাড়াও পাওয়া যায় অনেক স্বর্ণালংকার ও বিদেশি টাকা।
এই বিষয়টি জানান পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।
গত ৪ মাস ১০ দিন পর গতকাল পাগলা মসজিদের নয়টি দানসিন্দুক ও একটি বড় স্টিলের ট্রাংক খোলার পর সেখানে থেকে ২৭ বস্তা টাকা সহ আনেক পরিমাণ স্বর্ণালংকার সহ বিদেশি ঢাকা পাওয়া যায় ।

সাধারণ ৩ মাস পরপর এই সিন্দুক গুলোর খোলা হলেও এবার একটু দেরিতে খোলা হয়। এবার দান বাক্স গুলো ৪ মাস ১০ দিন পর খোলা হয়।
রোজা ও ঈদের কারণে সিন্দুক গুলো আগেই ভরে গিয়েছিল তাই সপ্তাহ দুই আগে দুই সিন্দুকের সমান আরও একটি স্টিলের ট্রাংক বসানো হয়েছিল।

এর আগে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে দান বাক্স গুলো খোলা হয়েছিল, তখন ২৩ বস্তার মধ্যে ৬ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা সহ বিদেশি ঢাকা এবল স্বর্ণের অলংকার, হীরার গয়না পাওয়া গিয়েছিল।

জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন এই অর্থ দিয়ে পাগলা মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের খরচ চালে এবং জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করে থাকে ও দানের বাকি টাকা ব্যাংকে
জমা রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন ৬ তলা বিশিষ্ট আকর্ষনিয় ও দৃষ্টিনন্দন পাগলা মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য একটি মেগা প্রকল্প করার জন্য পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
যাতে করে এই মসজিদ-মাদ্রাসা সহ অর্ধ লাখ মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে, একটি আকর্ষণীয় ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। যার প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা।
এদিকে জানা যায় পাগলা মসজিদে দানের মাধ্যমে মন থেকে কিছু চাইলে সে আশা পূরণ হয়।
এমন বিশ্বাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় থেকে লোকজন এসে এখানে দান করার পাশাপাশি এখন চিঠিও লেখেন।
গতকাল শনিবার দান সিন্দুকের টাকা গণনার সময় এমন অনেকগুলো চিঠি পাওয়া যায় ।
তেমনি একটি চিঠি প্রেমিকাকে পেতে এক প্রেমিকের আকুতির। হবিগঞ্জ জেলার সেই যুবক চিঠিতে লিখেছেন, ‘আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসি, কিন্তু মেয়েটা আমাকে ভালোবাসে না। আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যে আল্লাহ তাকে যেন আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে কবুল করেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *