শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

ঠাকুরগাঁওয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রাস্তা অবরোধ-মারপিট ও ভাংচুরের ঘটনায় মামলা — গ্রেফতার-১

মো: মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

ঠাকুরগাঁওয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলকারীদের রাস্তা অবরোধ ও ভাংচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়। সদর থানার এসআই (নি:) মো: বদিউজ্জামান (৪৫) বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বহু ছাত্র-ছাত্রী ও বহিরাগতদের আসামী করে এ মামলাটি দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ৫ নং আসামী আল মামুন (৩৩) কে গ্রেফতার করে। মামলায় জানা যায়,১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকেরসামনে রাস্তা অবরোধ ও ভাংচুরের বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে পুলিশ। সে অনুযায়ী মামলার বাদী মো: বদিউজ্জামান সহ ১৯ জন অফিসার প্রায় ১৪ জন ফোর্স নিয়ে উল্লেখিত স্থানে ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন। এ সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন রকম ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তা হতে বাসষ্ট্যান্ড পর্যন্ত মহাসড়ক প্রায় ৩ ঘন্টা বন্ধ হয়ে পরে। আন্দোলনকারীরা এক সময় শহরের চৌরাস্তার দিকে অগ্রসর হলে বিপরীত থেকে ছাত্রলীগের কিছু নেতা কর্মী এগিয়ে প্রতিবাদ করলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে গেলে আন্দোলনকারীরা হামলা চালিয়ে মো: শফিকুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যকে ইট পাটকেল মেরে আহত করে। তার পরও পুলিশ তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও তারা আরও হিংসাত্মক হয়ে হামলা চালানো বাড়িয়ে দেয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জানমাল রক্ষার্থে পুলিশ তাদের শান্ত করতে প্রথমে গ্যাস গান নিক্ষেপ করে। পরক্ষনেই আন্দোলনকারীরা সার্কেল অফিসের প্রধান গেটের তালা ভেঙ্গে অফিস কাম বাস ভবনের জানালার গ্লাসে ইটপাটকেল মেরে ভাংচুর লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। এ সময় কোন উপায়ন্তর না পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৩টি সাউন্ড গ্রেনেড, ১৯টি গ্যাস সেল, মোট ৫৮ শর্টগানের রাউন্ড তার্তুজ ফায়ার করে।

মামলার আসামীরা হলেন, পৌর শহরের হাজীপাড়া মহল্লার মো: রফিকুল ইসলামের ছেলে মো: মাহিম ওরফে মাহি (২৩), ফকির পাড়া মহল্লার শেখ হায়দার আলীর ছেলে মো: কায়েস (৩৫), হাজীপাড়া মহল্লার হৃদয় (২৩), আল আমিন ইসলাম (২২), সদর উপজেলার পূর্ব পারপূগী গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আল মামুন (৩৩), একই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে রাসু (২৬), পূর্ব গোয়ালপাড়া মহল্লার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো: মাসুদ রানা ডানো (২৮), শাহপাড়া মহল্লার আব্দুল হামিদের ছেলে সৈকত (২২), হাজীপাড়া মহল্লার মৃত আবু তাহেরের ছেলে মো: অহিদুল ইসলাম (৩০), মো: রেজওয়ানুল হক রেজু, হাজীপাড়া বৈশাখীমোড় এলাকার রিপন ইসলাম বাবু, সাজ্জাত হোসেন সাজু, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের মো: ছুটুর ছেলে আব্দুল রহমান রাজা (২২) সহ বহু সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী এবং বহিরাগত লোকজন।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *