মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি বৃক্ষরোপন ২০২৬ ইং আমাদের প্রত্যয়, শিশুশ্রম আর নয়’! শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক: রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ মানবিক সাহায্যের আবেদন জানালেন পরিবার চন্দনাইশের এয়াকুব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পড়ে আছে ঘরে চন্দনাইশে একটি সেতুর দাবি বরমা ও মধ্যম চরতিবাসীর। ১৮৮০ সাল থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধে চলছে কার্যক্রম চন্দনাইশে প্রতিকূলতা ঠেলে এগিয়ে চলেছে জোয়ারা পাগলা গারদ। চন্দনাইশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরষ্কার বিতরণ। চন্দনাইশে ২ শ্রমিক পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেল। চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া-বরকল-বৈলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন। চন্দনাইশ থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

ঠাকুরগাঁওয়ে বসতভিটা সরিয়ে নিতে ৭ দিনের সময় দিয়ে ৩৪ জনকে নোটিশ

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

ঠাকুরগাঁও জেলায় অবৈধভাবে নদীর জমি দখল করে বসতভিটা সহ ঘর-বাড়ি নির্মাণ করছে এক শ্রেণির মানুষ। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বসতভিটা সরিয়ে নিতে সাত দিনের সময় দিয়ে ৩৪ জনকে নোটিশ দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।​ রোববার (২৭ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এই নোটিশ প্রদান করেন।​
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম জাকারিয়া, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম সহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ।​ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ জানান, এরই মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের শুক নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সীমানা নির্ধারণের পর খতিয়ে দেখা গেছে, নদীর জমিতে অবৈধভাবে যারা দখল করে বসতভিটা স্থাপন করে বসবাস করছে, এমন ৩৪ জনকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে বসতভিটা সহ ঘর-বাড়ি সরিয়ে নিতে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। আর এসব নোটিশ প্রদানের আগে কয়েকবার মৌখিকভাবেও বলা হয়েছে। কিন্তু তাতেও তারা সরে না যাওয়ায় আজ নোটিশ প্রদান করা হয়। নদীর সীমানায় বাড়ি-ঘর থাকলে নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে যাবে। এ কারণেই দ্রুত সময়ের মধ্যে তা অপসারণ করার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।​ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম জানান, ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা শুক নদীর সীমানা নির্ধারণ হওয়ায় নদীর জমি দখল করে অবৈধভাবে যে সব বাড়ি-ঘর স্থাপন করে বসবাস করছে, তাদেরকে দ্রুত অপসারণের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি নিজ উদ্যোগে সরে না যায়, তাহলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে স্থাপনা অপসারণ করা হবে।​ তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি বাকি নদীগুলোর সীমানা নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে। সেই নদীগুলোর সীমানা নির্ধারণ সম্পন্ন হলে অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *