বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন ।

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ,,

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় একটি হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ, ১ লাখ টাকা টরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয়। সম্প্রতি গতকাল বুধবার ঠাকুরগাঁও সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো: আবুল মনসুর মিঞা এ রায় প্রদান করেন। এ সময় ৪ জনের মধ্যে একজন আসামী উপস্থিত থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ জুলাই ভিকটিম (বাদল ওরফে বদরুল-৩৪) কে জমিজমা সংক্রান্ত জেরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী আখ খেতে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মো: বাবুল হোসেন এবং বাদলের স্ত্রী শ্যামলী সহ থানায় হাজির হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় তাদের আপন চাচাতো ভাই নবাব, রব্বানী, দুলাল ত্রয়, লিটন ও মাহাবুব গনদের নাম উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর পুলিশ রিপোর্ট প্রদান করেন। পরবর্তিতে ২০১৪ সালের ৫ মার্চ এজাহারকারীর দাখিলী নারাজির আবেদন মঞ্জুর হলে অধিকতর তদন্তের জন্য সি.আই.ডি-কে তদন্তপুর্বক চার্জশীট প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সি.আই.ডি-র পুলিশ পরিদর্শক মো: মাসুদ রানা সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করে রেকর্ড করেন এবং প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত করে ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালতে সম্পুরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০১৫ সালের ১৬ আগষ্ট মামলাটি ঠাকুরগাঁও দায়রা জজ আদালতে মামলা নম্বর- ১৫৫/২০১৫ হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
অবশেষে দীর্ঘ সময় বিচারান্তে পীরগঞ্জ উপজেলার পটুয়াপাড়া গ্রামের মো: কাশমত আলীর ছেলে মো: আফসার আলী (পলাতক), আনছারুল ইসলামের ছেলে মো: মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, মো: শহর আলীর ছেলে সুমন (পলাতক), একই উপজেলার মধ্যবনগাঁও গ্রামের মো: বাবুল হোসেনের ছেলে সাগর (পলাতক) এর বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অপরাধ রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিসঙ্গত সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত করায় তাদের প্রত্যেককে দোষি সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এছাড়া আসামীদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন বিজ্ঞ পি.পি এ্যাড. মো: আব্দুল হালিম ও আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাড. মো: জিল্লুর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *