বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

বাগেরহাটের শরণখোলায় গোলপাতা আহরণের নৌকায় আগুন

মোঃ শাহীন হাওলাদার-

আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণের পাস দেবে বনবিভাগ । গোলপাতা আহরণে জন্য শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত শরণখোলার বাওয়ালীরা। গোলপাতা আহরণের পূর্বপ্রস্তুতি হিসিবে মেরামত করে নৌকা নামিয়ে ঘাটে রাখেন শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের মোঃ নুরুল হক ব্যাপারির ছেলে মোঃ সেলিম ব্যাপারি। এমতাবস্থায় ২৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সেলিম ব্যাপারির বাওয়ালী নৌকায় আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। বাওয়ালী নৌকাটি রায়েদা খালের মাথায় নদীর তীরে ঘেষে থাকায় রাতে জলতে থাকার পরে ভোরে শাহরুখ পহলান নামের এক ব্যতির নজরে আসে এবং তার আন্তরিক চেষ্টায় আগুন নিবানো হয়।

এব্যাপারে সেলিম ব্যাপারি বলেন, আমি ১২ বছর ধরে সুন্দরবনে গোলপাতার ব্যবসা করি। ৫ লাখ টাকা খরচ করে এই বাওয়ালী নৌকাটি তৈরি করেছি। নতুন সিজনে গোলপাতা সংগ্রহে যাওয়ার জন্য বর্তমানে দেড় লাখ টাকা খরচ করে নৌকা মেরামত করে নামিয়েছি ৩০ জানুয়ারী সুন্দরবনে যাবো বলে। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত গভীর রাতে ব্যবসায়ী শত্রুতার জেরে কে বা কাহারা আমার নৌকায় আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। নৌকাটিতে কারা আগুন লাগিয়েছে তা আমি জানি না। এখন আমার সুন্দরবনে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাছাড়া নতুন করে মেরামত করে নৌকা রেডি করতে করতে গোলপাতা সংগ্রহের সময় শেষ হয়ে যাবে।

প্রত্যক্ষদর্শী বাঁধ সংলগ্ন বাসিন্দা শাহারু পহলান বলেন, আমি ফজরের আজানের সময় মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাঁধের উপরে দাঁড়াই। এসময় দেখি নৌকাটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। তখন আমি পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে দেই।

এ ব্যপারে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি।তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *