মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি বৃক্ষরোপন ২০২৬ ইং আমাদের প্রত্যয়, শিশুশ্রম আর নয়’! শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক: রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ মানবিক সাহায্যের আবেদন জানালেন পরিবার চন্দনাইশের এয়াকুব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পড়ে আছে ঘরে চন্দনাইশে একটি সেতুর দাবি বরমা ও মধ্যম চরতিবাসীর। ১৮৮০ সাল থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধে চলছে কার্যক্রম চন্দনাইশে প্রতিকূলতা ঠেলে এগিয়ে চলেছে জোয়ারা পাগলা গারদ। চন্দনাইশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরষ্কার বিতরণ। চন্দনাইশে ২ শ্রমিক পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেল। চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া-বরকল-বৈলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন। চন্দনাইশ থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

শরণখোলায় নদীভাঙনের করাল গ্রাস: রিং বাঁধ সহ শতশত বিঘা জমি,ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিলীন

 

মোঃ শাহীন হাওলাদার 

বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলায় ভয়াবহ নদীভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে শতশত মানুষের জীবন ও সম্পদ। নদীর করাল গ্রাসে কয়েকবছরে রিং বাঁধসহ শতশত বিঘা আবাদি জমি, বসতঘর,গাছপালা এবং বিভিন্ন স্থাপনাসমূহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং এখনোও বিলীন হচ্ছে।সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের শরণখোলা বাজার হয়ে তেড়াবেকা ও বগী এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার রিং বাধের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর পানি প্রতিনিয়ত ভাঙনে রিং বাঁধ ধসে পড়ছে, ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে।ভুক্তভোগী মোঃ হালিম,মোঃ ইউসুফ, রহিমা বেগম, জাহানারা বেগম বলেন: “আমাদের জমি, ঘর,গাছপালা চোখের সামনে সব নদীতে চলে গেল। এখন আমরা পরিবার নিয়ে ,আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি আবার কখন কি হয়ে যায়। স্থানীয়রা আরও জানান, কয়েক বছর ধরে নদীভাঙন মারাত্মক রূপ নিলেও কার্যকর কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। মাঝে মাঝে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন এনজিও রিংবাঁধের ভেঙে যাওয়া জায়গা মেরামত করলেও তা দীর্ঘমেয়াদি হয়নি।স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ। জরুরি ভিত্তিতে টেকসই রিংবাধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে না নিলে অচিরেই এই এলাকার ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি মানচিত্র থেকে মুছে গিয়ে নদীর সাথে বিলীন হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুদীপ্ত কুমার সিংহ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।যাতে দ্রুত টেকসই রিং বাঁধ নির্মাণ হয়। এর আগেও উপজেলা প্রশাসন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে ভেঙ্গে যাওয়া রিংবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। আবারও সকলকে সাথে নিয়ে ভেঙে যাওয়া রিং বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা করবে উপজেলা প্রশাসন।উল্লেখ্য,জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির তোড়ে উপকূলীয় এলাকার নদীগুলোতে ভাঙন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যাপক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *