মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি বৃক্ষরোপন ২০২৬ ইং আমাদের প্রত্যয়, শিশুশ্রম আর নয়’! শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক: রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ মানবিক সাহায্যের আবেদন জানালেন পরিবার চন্দনাইশের এয়াকুব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পড়ে আছে ঘরে চন্দনাইশে একটি সেতুর দাবি বরমা ও মধ্যম চরতিবাসীর। ১৮৮০ সাল থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধে চলছে কার্যক্রম চন্দনাইশে প্রতিকূলতা ঠেলে এগিয়ে চলেছে জোয়ারা পাগলা গারদ। চন্দনাইশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরষ্কার বিতরণ। চন্দনাইশে ২ শ্রমিক পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেল। চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া-বরকল-বৈলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন। চন্দনাইশ থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

শিম চাষে সফলতা, চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বেড়েছে চাষের পরিধি

এস.এম.জাকির,
চন্দনাইশ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:

স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশের শিমের চাহিদা রয়েছে ভোক্তা পর্যায়ে। তাই চন্দনাইশে শিম চাষের পরিধিও বৃদ্ধি পাচ্ছে মৌসুমের পর মৌসুম। উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৫’শ হেক্টর জমিতে শিমের চাষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। বর্তমানে বিস্তীর্ণ শিম ক্ষেত ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। ইতোমধ্যে বিক্রিও শুরু করেছেন কৃষকরা।
জানা যায়, গত মৌসুমে উপজেলায় শিমের চাষ হয়েছিল ৪৫০ হেক্টর জমিতে। উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে অধিকাংশ শিম চাষ হয় ধোপাছড়ি ইউনিয়ন ও দোহাজারী পৌরসভা এলাকায়। চলতি মৌসুমে ধোপাছড়ি ইউনিয়নে ১৫০ হেক্টর, দোহাজারী পৌরসভায় ২৫০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে ধোপাছড়ি অঞ্চলের শিম যাচ্ছে দোহাজারী পাইকারী বাজার হয়ে চট্টগ্রাম নগরীসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে। বর্তমানে প্রতিকেজি দেশি শিম খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। ইতোমধ্যে শিম চাষ করে সফলতা পেয়েছেন চন্দনাইশের অনেক কৃষক। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পুরো উপজেলার শিম চাষিরা পরিপক্ক শিম বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। শিম চাষে সফল সাবেক কাউন্সিলর নাজিম উদ্দীন বলেছেন, উচ্চ শিক্ষিত হয়ে সরকারি বেসরকারি চাকুরির জন্য বসে না থেকে বিজ্ঞান সম্মতভাবে চাষাবাদে নেমে পড়লে আজকের যুব সমাজ সফলতার দেখা পাবে নিঃসন্দেহে। একই এলাকার নুরুল আলম চলতি মৌসুমে ২ কানি (৮০ শতক) জমিতে শিম চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি ১৫/২০ কেজি করে কয়েকবার পরিপক্ক শিম পাইকারী বাজারে ১৫০/১৬০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি তিনি। চিরিংঘাটা ব্লকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সাজু দাশ জানান, চলতি মৌসুমে ধোপাছড়ি ইউনিয়নে প্রায় ২০০ হেক্টরের মতো শিম চাষ হয়েছে। যা গত মৌসুমের তুলনায় ৫০ হেক্টর বেশি। প্রতি মৌসুমে বাড়ছে শিম চাষের পরিধি শিম চাষ করে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা। প্রথম পর্যায়ে শিম ও শিমের বিচি বিক্রি করেন এবং পরবর্তীতে বিক্রির জন্য শিমের বিচি শুকিয়ে সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় মুহুর্তে বিক্রি করতে পারেন। একইভাবে দোহাজারী, দিয়াকুল ও চাগাচর ব্লকে চলতি মৌসুমে ২০০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ করেছেন কৃষকরা। চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ আজাদ হোসেন বলেছেন, পাহাড়, নদী ও সমতল পরিবেষ্টিত চন্দনাইশ উপজেলায় সিজনাল সবজির চাষাবাদ হয় প্রচুর। বিশেষ করে শীতকালীন সবজির চাষাবাদ বেশি হওয়ায় চন্দনাইশ ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের শষ্য ভান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন সবজির পাশাপাশি শিম চাষও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চন্দনাইশে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রণোদনা হিসেবে সরকারিভাবে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ প্রদান করায় সফল হচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *