শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
মোঃ শাহীন হাওলাদার
বাগেরহাটের শরণখোলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফিল্মি স্টাইলে হামলা চালিয়ে একদল দুর্বৃত্ত সাব্বির (২১)নামের এক ছাত্রদল কর্মীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মাথা সহ বিভিন্ন অঙ্গে গুরুতর জখম করেছে। এছাড়া মোটরসাইকেলের সাইলেন্সারও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান হাতের আঙ্গুল ও বাঁ পায়ের হাঁটুর হাড্ডি ভেঙ্গে ফেলেছে । এ সময় এক প্রতিবেশী দেখে ফেললে প্রাণে রক্ষা পায় ওই যুবক। ২৯ এপ্রিল রাতে উপজেলার রতিয়া রাজাপুর গ্রামের ইউনুস হাওলাদার এর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রতিয়া রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউনুচ হাওলাদার এর সাথে প্রতিবেশী আলাউদ্দিন জোমাদ্দারের পুত্র প্রবাসী মিঠু জোমাদ্দারের সাথে ১৫ বছর ধরে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ ঘটনার সূত্র ধরে ২৯ এপ্রিল রাত ৮ টার দিকে ইউনুচ হাওলাদার এর পুত্র ছাত্রদল কর্মী সাব্বির ফসিল জমির ধান কাটার কাজ সেরে বাড়ি থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হয়। এ সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রবাসী মিঠুর ইন্দনে তার নিকট আত্মীয় শাহিন জোমাদ্দার, আব্দুল্লাহ, হাসান ও মিঠুর শ্যালক আলামিন ও রুহুল আমিন সহ ৭/৮ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ দুর্বৃত্ত সন্ত্রাসী স্টাইলে চাপাতি লোহার রড, মোটরসাইকেলের সাইলেন্সার ও হাতুড়ি দিয়ে মিঠুর উপরে হামলা চালায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার কেয়ামনি বলেন তার মাথার আঘাত খুবই গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাহিন জমাদার ও আব্দুল্লাহ আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে সাব্বিরের মা ও বাবা বলেন ওরা আমার ছেলেকে প্রাণে মেরে ফেলতে চেয়েছিল আল্লাহ রক্ষা করেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই । এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত চলছে। সাব্বির কে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।