শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ” চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ কাটাখালী-অন্তর মোড় সড়কে মরণফাঁদ: পাশ ভেঙে গভীর গর্ত, প্রাণ নিয়ে খেলা। চলন্ত ফেরি থেকে পদ্মায় ঝাঁপ, ১২ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার।

সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

এস কে শফিকুল ইসলাম
মোড়েলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি

দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বেষ্টনী (সীমানা প্রাচীর) না থাকায়
২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের পানি তোলার মোটর, বৈদ্যুতিক ফ্যান, শিক্ষার্থীদের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু চুরিই নয়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত একটি পরিত্যাক্ত ভবনকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যক্তি মাদক সেবন, মলত্যাগসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সমাজসেবক এস কে শফিকুল ইসলাম বলেন, “একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিশুদের নিরাপদ শিক্ষার স্থান। কিন্তু নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় বিদ্যালয়ের সম্পদ যেমন চুরি হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।” আর স্থানীয় বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন মুনশী বলেন, “বিদ্যালয়ের ভেতরে পরিত্যক্ত ভবনটি অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থলে পরিণত হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ এবং পরিত্যক্ত ভবনটি অপসারণ বা নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি।” এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন মহল বিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং একটি সুন্দর শিক্ষা পরিবেশ বজায় রাখতে দ্রুত নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁদের আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে বিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *