বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
স্কুলের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ। সরকারি হসপিটালে চিকিৎসা না দিয়ে প্রাইভেট চিকিৎসা দেয়া নিয়ে জনগণের প্রশ্ন? ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি বৃক্ষরোপন ২০২৬ ইং আমাদের প্রত্যয়, শিশুশ্রম আর নয়’! শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক: রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ মানবিক সাহায্যের আবেদন জানালেন পরিবার চন্দনাইশের এয়াকুব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পড়ে আছে ঘরে চন্দনাইশে একটি সেতুর দাবি বরমা ও মধ্যম চরতিবাসীর। ১৮৮০ সাল থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধে চলছে কার্যক্রম চন্দনাইশে প্রতিকূলতা ঠেলে এগিয়ে চলেছে জোয়ারা পাগলা গারদ। চন্দনাইশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরষ্কার বিতরণ। চন্দনাইশে ২ শ্রমিক পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেল। চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া-বরকল-বৈলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন।

ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে খামারিদের ব্যস্ততা

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও জেলার খামারিদের মাঝে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। খামারিরা তাদের গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুতে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তবে গো-খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় অনেকটাই চিন্তিত খামারিরা।

সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও জেলার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গরু নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও খামারিরা। কোনো প্রকার ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করেই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন এসব খামারিরা। তবে বাজারে গো-খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় অনেকটাই চিন্তিত খামারিরা। অপরদিকে খামারিদের অভিযোগ স্থানীয় প্রাণীসম্পদ থেকে দেয়া হয় না কোন ধরণের সহযোগিতা। সবমিলিয়ে লাভ নিয়ে চিন্তিত খামারিরা।

এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণীসম্পদ কর্তৃপক্ষ বলছে, খামারিদের যে কোন সহযোগিতা করছেন তারা।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণীসম্পদের দেয়া তথ্য মতে, আসন্ন কোরবানি ঈদের জন্য ঠাকুরগাঁও জেলায় ১ লাখ ৩০ হাজার পশু বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ভাবে পালন করেছেন খামারি ও গৃহস্থরা। এর মধ্যে ৭৩ হাজার গরু ও ৫৭ হাজার ছাগল পালন করা হয়েছে। যা চলতি বছরের কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো সম্ভব। এছাড়াও জেলায় মোট ২৪ টি হাট রয়েছে কোরবানীর পশু বিক্রির জন্য।

ঠাকুরগাঁও উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেমন্ত কুমার রায় বলেন, আমাদের পক্ষে থেকে খামারিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ দেয়া হয়। যে সকল খামারিরা বলছেন আমরা তাদের সহযোগিতা বা পরমার্শ দেইনা তারা হয়তো আমাদের এখানে আসেন না। তাই সকলকে এখানে আসতে হবে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *