সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
বাগেরহাটে অস্বচ্ছল রোগী ও প্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদের সহায়তা উপকূলে কিশোরী-নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সচেতনতা মোংলা-রামপালের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ গোয়ালন্দে যুবককে গলা কেটে হত্যা চন্দনাইশ জোয়ারা বি.সি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. সুব্রত বড়ুয়া সুশিক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলা সহ ৩ আসামী গ্রেফতার। মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২

খাবার পানির তীব্র সংকটে বাগেরহাটের উপকূলীয় জনপদ 

 

আবু রায়হান, (স্টাফ রিপর্টার)— বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকায় চলছে খাবার পানির তীব্র সংকট। ২ হাজার ৮শ’ পণ্ড স্যাণ্ড ফিল্টার বা পিএসএফের মধ্যে ১ হাজার ৩২৬টিই অকেজো। ফলে শুষ্ক মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে বাগেরহাটের উপকূলীয় ছয় উপজেলার সুপেয় পানির অভাবে বাড়ছে নানা রোগব্যাধি।

 

স্থানীয়রা জানান, বাগেরহাট সদর, রামপাল, মোংলা, মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা ও কচুয়া উপজেলায় মিঠা পানির প্রধান উৎস পুকুরের প্রচণ্ড অভাব রয়েছে। এছাড়া, কচুয়া, মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা ও মোংলা উপজেলায় লবণাক্ততার কারণে প্রয়োজনীয় গভীর নলকূপও নেই। উপকূলীয় এই ছয় উপজেলায় স্থাপিত জনস্বাস্থ্য বিভাগের পন্ড স্যান্ড ফিল্টারের প্রায় অর্ধেক অকেজো হয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলেছে।

 

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ১৯৯২-৯৩ সাল থেকে সরকারি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে মোট দুই হাজার ৮শ’ পিএসএফ স্থাপন করে। যার মধ্যে এক হাজার ৩২৬টি বর্তমানে ব্যবহার অযোগ্য।

 

স্থানীয়রা পুকুরের অপরিশোধিত পানি পান করতে বাধ্য হওয়ায় পানিবাহিত রোগসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। গত পাঁচ বছরে ২২ লাখ টাকায় ৪২টি পিএসএফ এবং সাড়ে নয় কোটি টাকায় ১৫৫টি সৌর পিএসএফ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, জেলায় ১৪৬ কোটি টাকায় ৩৬ হাজার ৫৫০টি বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *