মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি বৃক্ষরোপন ২০২৬ ইং আমাদের প্রত্যয়, শিশুশ্রম আর নয়’! শরণখোলায় পল্লী বিদ্যুতের ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক: রিডিং ছাড়াই মনগড়া বিলের অভিযোগ মানবিক সাহায্যের আবেদন জানালেন পরিবার চন্দনাইশের এয়াকুব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পড়ে আছে ঘরে চন্দনাইশে একটি সেতুর দাবি বরমা ও মধ্যম চরতিবাসীর। ১৮৮০ সাল থেকে আয়ুর্বেদিক ওষুধে চলছে কার্যক্রম চন্দনাইশে প্রতিকূলতা ঠেলে এগিয়ে চলেছে জোয়ারা পাগলা গারদ। চন্দনাইশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরষ্কার বিতরণ। চন্দনাইশে ২ শ্রমিক পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেল। চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া-বরকল-বৈলতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন। চন্দনাইশ থেকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

খুলনায় ভবন নির্মাণে আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন: জননিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বসতি রিয়েল এস্টেট

 

নার্গিস রুবি:

খুলনার কেডিএ এভিনিউ রোড খলিল চেম্বার, শেখপাড়া, রোডে ইমারত নির্মাণ আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বসতি রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণাধীন ভবনে নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে, সেটব্যাক রুলস না মেনে এবং জননিরাপত্তা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নকশা লঙ্ঘনের অভিযোগ:

শেখপাড়ার কেডিএ এভিনিউ রোডে অবস্থিত বসতি রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ৩২/৩৩ নম্বর হোল্ডিংয়ের ৪.১৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিতব্য ভবনে নকশার ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্মাণাধীন ভবনটিতে তিন তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এই ভবনের চতুর্দিকে অতিরিক্ত মাত্রায় নকশা বিচ্যুতি (ডেভিয়েশন) করা হয়েছে, যা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ।

জননিরাপত্তা ও শ্রমিক সুরক্ষার অভাব:

নির্মাণাধীন ভবনের সামনে কোনো তথ্য সম্বলিত সাইনবোর্ড দেখা যায়নি, যা নির্মাণাধীন প্রকল্পের বিস্তারিত জানাতে বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জননিরাপত্তা এবং নির্মাণশ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য কোনো সেফটি নেট বা সেফটি গার্ড ব্যবহার করা হয়নি। এতে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা পথচারী ও শ্রমিক উভয়ের জন্যই মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

কর্তৃপক্ষ নীরব, ডেভেলপার অধরা:

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ এবং বসতি রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা তার পক্ষে দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা হলেও তারা বলেন কেডিএ কে ম্যানেজ করেই ভবন নির্মাণ করছি।

অভিযোগ রয়েছে, এমন অনিয়ম সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে, যা বেআইনি নির্মাণ কাজকে উৎসাহিত করছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশবিদরা বলছেন, ইমারত নির্মাণ আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করা হলে তা শুধু কাঠামোগত ত্রুটিই সৃষ্টি করে না, বরং পুরো এলাকার পরিবেশ ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দ্রুত এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *