শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল শোক সংবাদঃ জুলাই ও ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা রাজবাড়ীতে সরকারি স্কুলে তালা কেটে ল্যাপটপ চুরি সীমানা প্রাচীর নেই, নিরাপত্তাহীনতায় চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে ২৬৩ নং সরালিয়া বিশারীঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক কারবারি ইলিয়াসের: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর জেলহাজতে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন রংপুর অঞ্চলের স্ট্রাইকার কিসকুর পরিবারের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ”

ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের আহ্বান —- এম এ বার্ণিক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ভাষা-আন্দোলন গবেষক ও জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন সভাপতি -এম এ বার্ণিক বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিবস উপলক্ষে এক সাক্ষাৎকারে নাগরিক সংবাদ কে বলেন

“বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিবস” হলো, ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬; অথচ গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ‘ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ’ উক্ত দিবস পালন করে বিবৃতি দেয় যে, দিবসটি নাকি ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬।
২. ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদের এহেন ইতিহাস বিকৃতির আয়োজনগুলো বন্ধ করার জন্য, আমি একজন ভাষা-আন্দোলনের গবেষক হিসেবে, আহ্বান জানাচ্ছি। জাতিকে বারবার বিভ্রান্ত না-করার জন্য তাদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি।
৩. সত্য তুলে ধরার স্বার্থে, সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের গণপরিষদে( পূর্ব-পাকিস্তানের আইনসভায় নয়) উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটাই পাকিস্তানের সংবিধানে গঅন্তর্ভুক্ত হয়।
৪. সেটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না-করয়,অসন্তুষ্টচিত্তে ভাষা-আন্দোলনের জনক ও স্থপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম, পূর্ব পাকিস্তান ব্যবস্থাপক পরিষদের একজন সদস্য হিসেবে, পূর্ব পাকিস্তানের আইনসভায় ৩০সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ তারিখে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।
৫. কাসেম সাহেবের প্রস্তাবটি ছিলো, কেন্দ্রীয় সরকারের আইনসভায় পাশকৃত সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার আলোকে, পূর্ব-পাকিস্তানের অফিস-আদালতে ও শিক্ষায় যাতে বাংলায় চালু করা হয়, তা তুলে ধরা।
৬. কোথায় করাচিতে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় আইসভার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আর কোথায় ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তানেরন প্রাদেশিক আইনসভার একটি প্রস্তাব? এভাবে ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাস চর্চার নামে জাতিকে বিভ্রান্ত করার করাণ একটিই, এবং তা-হলো অজ্ঞতা, না-জেনে, না-বুঝে, ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদের অপতৎপরতা!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *