সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
বাগেরহাটে অস্বচ্ছল রোগী ও প্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদের সহায়তা উপকূলে কিশোরী-নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সচেতনতা মোংলা-রামপালের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ গোয়ালন্দে যুবককে গলা কেটে হত্যা চন্দনাইশ জোয়ারা বি.সি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. সুব্রত বড়ুয়া সুশিক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলা সহ ৩ আসামী গ্রেফতার। মোবাইলে ভিডিও দেখে সফটওয়্যার তৈরি: চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার। চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২

৭২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ কার স্বার্থে চন্দনাইশ বরুমতি খালের উপর ৩ সেতু আছে সংযোগ সড়ক নেই

এস.এম.জাকির,

চন্দনাইশ,(চট্টগ্রাম)

 

চন্দনাইশ পৌরসভার অর্ধ কিলোমিটার বরুমতি খালে ৭২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পর পর ৩টি সেতু নির্মাণ করা হলেও সেতুর উভয় পাশে নেই কোন সড়ক। সেতু নির্মাণের ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেতুর সাথে সংযোগ সড়ক না থাকায় কোন কাজে আসছে না সেতুগুলো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কতৃক গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু/কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চন্দনাইশ পৌরসভার বরুমতি খালের উপর ২৮ ফুট করে পর পর ৩টি সেতু নির্মাণ করা হয়।

 

২টি সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪৪ লক্ষ টাকা, অপরটি ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। হারলা বড় খালের সংযোগ মূখে ২৮ ফুট তার একটু পশ্চিম পাশে ও বরমা ব্রিক ফিল্ড সংযোগ সড়কে ২৮ ফুট করে পাশাপাশি আরো ৩টি সেতু নির্মাণ করা হয়।

 

সেতু নির্মাণের দীর্ঘ ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেতুর পাশে নির্মাণ করা হয়নি সংযোগ সড়ক। সরকারের এ বিশাল অংকের টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুগুলোর পাশে সড়ক নির্মাণ না করায় কাজে আসছে না সেতুগুলো।

 

বরুমতি খালের দু’পাশে বোরো, আউশ, আমন ধানের ফসলি জমির মূখে, মূখ থুবরে পরে আছে সেতুগুলো। কার স্বার্থে করা হয়েছে ৭২ লক্ষ টাকার সেতু নির্মাণ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল নানামূখি প্রশ্ন তুলছেন।

 

কারণ একটি বিলে কৃষকদের যাতায়াতের জন্য একটি সেতু হতে পারে। কিন্তু পর পর ৩টি সেতু কি কারণে কার স্বার্থে করা হয়েছে এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *