বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
এস.এম.জাকির,
চন্দনাইশ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
চন্দনাইশ দোহাজারী পৌরসভার সরকার পাড়া-খানবাড়ি-নতুন রেলওয়ে ষ্টেশন সড়কটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কার না হওয়ার কারনে সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারনে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।বৃষ্টি হলে এ সকল গর্তে পানি জমে থাকে।সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করার সময় পথচারীদের শরীরে ময়লা পানি পড়ে কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়ে যায়। সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে স্থানীয়দের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারী, যাত্রীদের দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।বছরের পর বছর এমন অবস্থা চললেও মিলছে না প্রতিকার।এলাকাবাসীর অভিযোগ,বার বার সংস্কারের আশ্বাস দিলেও আলোর মুখ দেখছে না এলাকাবাসী। ফলে সড়কে ঘটছে একের পর এক দুর্ঘটনা।স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক থেকে সরকার পাড়া ও খানবাড়ি হয়ে নতুন রেলওয়ে ষ্টেশন পর্যন্ত জন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে নতুন রেলওয়ে ষ্টেশন, পূর্ব দোহাজারী, জামিজুরীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার শত শত যানবাহন ও হাজারো মানুষ চলাচল করে থাকে।সড়কটির সরকার পাড়া হয়ে খানবাড়ি পর্যন্ত ছয়শ মিটার অংশের অবস্থা খুবই নাজুক| সড়কে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়কটি ক্ষয়ক্ষতি দিন দিন বেড়ে চলেছে।সড়কের গর্তে জমে থাকা কাদা পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী,পথচারীদের জামাকাপড়।সড়কের অটোরিকশা চালক কামাল হোসেন বলেন, এই সড়কে গাড়ি চালানো খুবই কষ্টকর। সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কে থাকা গর্তগুলো পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়।অনেক সময় গর্তে চাকা আটকে গেলে যাত্রী নামিয়ে গাড়ি ঠেলে পার করতে হয়। সরকার পাড়ার বাসিন্দা হাজারী শপিং সেন্টার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহিম বাদশা বলেছেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগে একাধিকবার আবেদন করে কেবল আশ্বাসই পেয়েছি, সংস্কার কাজ আলোর মুখ দেখেনি। পথচারী চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি এলাকার কেউ অসুস্থ হলে রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়। তাছাড়া বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার শিক্ষার্থীরা সড়কটি বেহাল দশার কারনে বিদ্যালয়ে যেতে অনিহা প্রকাশ করে। এ বিষয়ে দোহাজারী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাঈম উদ্দিন বলেছেন,স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পের তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি প্রাক্কলনসহ প্রেরণ করা হয়েছে| অনুমতি ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে টেন্ডার আহ্বান করা হবে।