শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
সিটি রিপোর্টার
পরকীয়ায় ছেয়ে গেছে সমাজের উচ্চবিত্ত,মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত সব শ্রেণীর মানুষের মনুষ্যত্ব। সমাজ এখন পরকীয়া নামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে।
ভদ্রতার মুখোস পরে লম্পট চরিত্রে ধীরে ধীরে মানুষের নষ্ট হচ্ছে জীবনের মূল্যবান সময়, দায়ীত্ব পূর্ণ সংসার ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাচ্ছে।
তেমনি একটি অভিযোগের অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়
শরীয়তপুর জেলার ঘোষেরহাট উপজেলা থেকে জিবিকার সন্ধানে ঢাকায় এসেছিলেন ওয়াহিদ আকন নামের এক ব্যাক্তি।
শ্রমিকের কাজ করে জিবিকা নির্বাহ করতেন। এক সময় দেখা হয়ে যায় মোছাঃ লাকি বেগমের সাথে প্রথমে পরিচয় তারপরে পরিণয়।
চলতে থাকে সুখের সংসার ঘর আলো করে দুটি কন্যা সন্তান ও একটি পুত্র সন্তান বড় হতে থাকে। সময়ের পরিবর্তনে নিজেও বদলে যেতে থাকে শুরু হয় পরকীয়া নামক অশ্লীল নেশায় দেখা হয় ববি কামাল এর সাথে শুরু হয় রঙ্গমঞ্চের লীলাখেলা।সেখান থেকে মুখ ফিরিয়ে মুন্নি ওরফে ভাত বিক্রেতা মুন্নির বাহুডোরে। সেখানেও তুষ্ট না হয়ে শাহানাকে দেখান নতুন স্বপ্ন শাহানার রঙ্গলিলায় কেটেছিল বেশ কিন্তু ওয়াহিদ আকনের রংয়ের ভ্যালায় ভাসতে ভাসতে সবশেষে কিনারা পেয়েছেন চারজন স্বামী পরিত্যাক্তা মিসেস দোলনের রংয়ের ভ্যালায়।
বিয়ে ছাড়াই চলে চার মাস রঙ্গলীলা। বিপত্তিটা ঘটে তখনই যখন দোলনের পূর্বের স্বামী জানতে পারে ওয়াহিদ আকনের সাথে বিয়ে ছাড়াই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় একসাথে বসবাস।
কে এই ওয়াহিদ আকন*******
শরীয়তপুর জেলা ঘোষের হাট উপজেলার কোদালপুর গ্রামে আকন পরিবারে জন্ম।
জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় এসে মিরপুর রূপনগর এলাকায় ছোট কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। দিনে দিনে জড়িয়ে পড়েন অবৈধ পলিথিন ব্যবসার সাথে। দীর্ঘদিন অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার কারণে আয়ের স্বাচ্ছলতা বাড়তে থাকে। তিনি এখন মস্ত বড় ব্যবসায়ী।
অনুসন্ধান বলছে এ সমাজে এরকম অনেক ওয়াহিদ আকন রয়েছে।
তাহলে প্রশ্ন এই সমাজে লম্পটদের বিচার করবে কে ?